সিলেট ব্যুরো অফিসঃ ইউকে ভিত্তিক অনলাইন মিডিয়া মুক্তবাংলা চ্যানেলের এক যুগ পূর্তি উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় গত ৫ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে সিলেটের বাফেট প্যারাডাইজ রেস্টুরেন্ট এন্ড পার্টি সেন্টারে । অনুষ্ঠানে স্থানীয় ও প্রবাসী বিশিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিতি এবং প্রাণবন্ত আলোচনা অনুষ্ঠানটিকে এক স্মরণীয় পর্যায়ে পৌঁছে দেয়।
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন মুক্তবাংলার সিইও, ইউকে প্রবাসী, কমিউনিটি লিডার ও বিশিষ্ট সাংবাদিক জনাব সারওয়ার হোসেইন। তিনি স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে মুক্তবাংলা চ্যানেলের এক যুগের সফলতার গল্প তুলে ধরেন এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোকপাত করেন। 
অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথিদের মধ্যে থেকে বক্তব্য রাখেন ব্রিটিশ সলিসিটার আনছার হাবিব, ডাঃ হোসাইন আহমদ, মাওলানা সাঈদ নুরুজ্জামান মাদানী, সাংবাদিক নেতা এম এ হান্নান, বিশিষ্ট সাংবাদিক ও শিক্ষানুরাগী আব্দুল কাদের তাপাদার, সমাজসেবী ও সংগঠক রেহান উদ্দিন রায়হান, সাংবাদিক নেতা গোলজার আহমদ হেলাল, সহকারি অধ্যাপক ফারুক আহমদ, এডভোকেট সিরাজুল ইসলাম, এডভোকেট জুনেদ আহমদ, ব্যাংক কর্মকর্তা মুহাম্মদ জাহির আলী, এডভোকেট রেজাউল করিম তালুকদার, সহকারি অধ্যাপক আব্দুল আজিজ, সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক কর্মী এম রহমান ফারুক, রাজনীতিবিদ ও সমাজসেবী নাজমুল হোসেন, সিলেটী নাগরী ভাষা গবেষক মোহাম্মদ মফিক আলী, লেখক ও প্রকাশক বায়েজীদ মাহমুদ ফয়সল, মাস্টার মুহাম্মদ ইসলাম উদ্দিন, অর্থনীতিবিদ আমিনুর রশীদ, সমাজসেবী আবু আহমদ এমদাদ, সমাজসেবী মফিক মোহাম্মদ, সমাজসেবী মোঃ জইনুর রহমান, ছাত্র নেতা আবিদ দাইয়ান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নজমুল হোসেন, ব্যবসায়ী আমীর হোসেন, বিশিষ্ট সমাজসেবী উবায়দুল হক শাহীন, সমাজসেবী আব্দুল কাদির, শ্রমিক কল্যাণ নেতা সাদমান আহমেদ এবং সমাজসেবী আ স ম মুবিনুল হক মাহীন।
প্রবীণ ও নবীন নেতৃবৃন্দের অভিজ্ঞতা, পরামর্শ এবং মুক্তবাংলা চ্যানেলের ভবিষ্যৎ কার্যক্রমের প্রতি তাঁদের সমর্থন অনুষ্ঠানের গুরুত্বকে আরও বাড়িয়ে তোলে।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন নাঈমুর রহমান চিশতি। পুরো অনুষ্ঠানের সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন মুক্তবাংলার সিলেট প্রতিনিধি সাংবাদিক সামরান সাবের এবং সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন মুক্তবাংলার সম্পাদক জনাব এমদাদুল ইসলাম তালুকদার।
অনুষ্ঠানে সিলেটের বিভিন্ন পেশার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। মুক্তবাংলা চ্যানেলের এক যুগের পথচলা নিয়ে অতিথিরা তাঁদের শুভেচ্ছা জানিয়ে মুক্তবাংলার ভবিষ্যৎ সফলতা কামনা করেন।
আলোচনা, শুভেচ্ছা বিনিময়, মোনাজাত এবং আপ্যায়নের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে। মুক্তবাংলা চ্যানেল এক যুগ পূর্তি উদযাপনের মাধ্যমে তাদের সেবার ধারাবাহিকতাকে আরও শক্তিশালী করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে।
