মুক্ত বাংলা ডেস্ক: সিলেট সদর উপজেলার মদিনা মার্কেট এলাকার পশ্চিম পাটানটুলা নিবাসী প্রবীণ মুরুব্বি ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সালিশ ব্যক্তিত্ব আলহাজ্ব ডাক্তার আমিনুর রশীদ (তৈমুছ আলীর ) মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যের ব্র্যাডফোর্ডের বিভিন্ন সামাজিক, সাংবাদিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
এক যৌথ শোকবার্তায় বিপ কমিউনিটি পার্টনারশিপ এর ডাইরেক্টর মোঃ সাহিদুর রহমান ও ম্যানেজার লোকমান আহমদ,জিকে ট্রাভেলস এর ডাইরেক্টর আলহাজ গয়াছ খান, এস এল সলিসিটার ফার্মের ডাইরেক্টর সলিসিটার আনসার হাবিব, বি ওয়াই ও ডাইরেক্টর ফয়জুল হক, ম্যানেজার জয়নাল আবেদিন, মুক্ত বাংলার ফাউন্ডেশন এর চেয়ারম্যান ও এনটিভি ইউরোপের সাংবাদিক সারওয়ার হোসেইন, গ্রেটার সিলেট কাউন্সিল নর্থের প্রেসিডেন্ট নেছার আলী ও সেক্রেটারি নূরে আলম রব্বানী,বাইতুল আমান জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা আব্দুল মতিন,
কাউন্সিলার আশরাফ মিয়া,শওকত আহমদ এমবিই,আলহাজ্ব আব্দুল হান্নান,কাউন্সিলার জাফর নিয়াজ,মুসলিম কমিউনিটি অ্যাসোসিয়েশন ইয়র্কশায়ার অ্যান্ড হামবার রিজিয়ন সাবেক সভাপতি আনোয়ার আলী জিতু, মুসলিম সোসাইটি অব ব্র্যাডফোর্ডের সভাপতি মুজিবুর রহমান, লিপি এক্সপ্রেস এন্ড ট্রাভেলস এর ডাইরেক্টর মোহাম্মদ আলী আকবর সহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
প্রসঙ্গত, আলহাজ্ব ডাক্তার আমিনুর রশীদ (তৈমুছ আলী ) গত ১৩ মে বুধবার সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে সিলেটের মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে বার্ধক্যজনিত কারণে ইন্তেকাল করেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহির রাজিউন।
তিনি যুক্তরাজ্যের ব্র্যাডফোর্ডের প্রবাসী কমিউনিটি নেতা, শাহজালাল ট্রাভেলস সেন্টার এর ডাইরেক্টর মোঃ মিজানুর রহমান ও হাফিজুর রহমানের পিতা।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ৪ পুত্র, ১ কন্যা সন্তান, নাতি-নাতনীসহ দেশ-বিদেশে অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, গুণগ্রাহী ও শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর।
মরহুমের বাড়ি সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক থানার অন্তর্গত চরমহল্লা ইউনিয়নের টেটিয়ারচর গ্রাম।
মরহুমের প্রথম জানাজার নামাজ ধারণ নতুন বাজার সংলগ্ন এনাম অটো রাইস মিল প্রাঙ্গণে ও দ্বিতীয় জানাযার নামাজ চরমহল্লার টেটিয়ার চর বাজার সংলগ্ন হাজী আব্দুল খালিক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে গত ১৪ মে বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হয়।
জানাজায় স্থানীয় রাজনীতিবিদ, সমাজকর্মী, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী, আত্মীয়-স্বজনসহ এলাকার সর্বস্তরের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন। পরে পারিবারিক কবরস্থানে মরহুমকে দাফন করা হয়।
