মোহাম্মদ নুরুল আমিন, স্কটল্যান্ড থেকে
বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত একমাত্র স্কটিশ এমপি ফয়সল চৌধুরী এমবিই (এমএসপি)-এর আমন্ত্রণে নর্থ বাংলা প্রেসক্লাব ইউকে-এর ২৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল ২৬ জুন, বৃহস্পতিবার স্কটিশ পার্লামেন্ট পরিদর্শন করেন।
এ উপলক্ষে স্কটিশ পার্লামেন্টের সভাকক্ষে ফয়সল চৌধুরী এমএসপির সঙ্গে এক মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। সভায় স্কটিশ লেবার পার্টির প্রধান আনসার সারওয়ার এমএসপি-ও উপস্থিত ছিলেন। স্কটিশ পার্লামেন্টের পক্ষ থেকে প্রতিনিধি দলকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয় এবং নর্থ বাংলা প্রেসক্লাবের কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করেন ফয়সল চৌধুরী।
তিনি প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দকে সম্মাননা স্মারক (ক্রেস্ট) প্রদান করেন এবং যুক্তরাজ্যের রাজনীতিতে নতুন প্রজন্মের অংশগ্রহণে সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
সভায় সাংবাদিকতা পেশায় সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতা বজায় রেখে কাজ করার জন্য উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান প্রেসক্লাব নেতারা। আলোচনায় প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির উন্নয়ন ও সাংবাদিকদের পেশাগত চ্যালেঞ্জসহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয় স্থান পায়।
প্রতিনিধি দলে উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাবের সভাপতি ফখরুল হুসাইন, সেক্রেটারি জেনারেল নুরুল আমিন তারেক, মুক্তবাংলা চ্যানেলের সিইও সাংবাদিক সাওয়ার হোসেইন, সহ-সভাপতি গোলাম আকবর চৌধুরী, কোষাধ্যক্ষ মাহমুদ হাসান মিলন, মো. সাবের আহমেদ, আব্দুল মোমিন ফাহিম, এনআরডি সিইও ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব নাজিরুল ইসলাম খান, আশরাফুল আলম, সাইফুল ইসলাম, কামাল হুসেন, সারওয়ার হুসাইন, সাইফুল ইসলাম সাইফ, হুমায়ুন আহমেদ, জামান চৌধুরী, ইউনুস বিন আফসার, রিয়াদুল আমিন রাহাত, শাহরিয়ার ইসলাম এবং আরিফ হুসাইন প্রমুখ।
এছাড়া অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাব ইউকের আজীবন সদস্য ও স্কানথর্প ইউনাইটেড ফুটবল ক্লাবের সহ-মালিক ও ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ রজিউর রহমান মোর্তজা, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও আজীবন সদস্য মাহতাসিন আলী মুক্তাদির, কমিউনিটি নেতা শেখ মোহাম্মদ আজাদ উল্লাহ, ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আব্দুর রকিব, তরুণ সংগঠক ও ব্যবসায়ী নোমান চৌধুরী এবং সুফিয়ান মাহমুদ।
পরিদর্শনকালে প্রতিনিধি দল স্কটিশ পার্লামেন্টের ডিবেট অধিবেশনে অংশগ্রহণ করেন এবং পরে ফয়সল চৌধুরী এমএসপি ও তার পিএস-এর সহায়তায় স্কটিশ পার্লামেন্টের গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক স্থানসমূহ ঘুরে দেখেন।
সমাপনী বক্তব্যে ফয়সল চৌধুরী এমএসপি বলেন,
“সারা ব্রিটেনে ছড়িয়ে থাকা বাংলাদেশিরা তাদের কর্মদক্ষতা, সততা ও চরিত্রের মাধ্যমে কমিউনিটির আস্থা অর্জন করে নিজ নিজ ক্ষেত্রে কৃতিত্বের সাক্ষর রাখছেন—এই ধারা অব্যাহত রাখতে হবে।”
