সিলেট অফিসঃ শাহজালাল জামেয়া ইসলামিয়া কামিল মাদরাসার শিক্ষকবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সিলেট–১ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী জননেতা মাওলানা হাবীবুর রহমান।
তিনি বলেন, মানুষের জীবনে প্রকৃত শান্তি আসে তাকওয়া ও মুত্তাকী হওয়ার মধ্য দিয়ে। আল্লাহর আদেশ ও নিষেধ যথাযথভাবে পালন না করলে প্রকৃত মুত্তাকী হওয়া সম্ভব নয়। ইসলামের বহু বিধান রয়েছে যা ব্যক্তিগত উদ্যোগে পালন করা কঠিন, বরং রাষ্ট্রীয় শক্তি ছাড়া সেগুলো কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হয় না।
তিনি কুরআনের নির্দেশ উদ্ধৃত করে উল্লেখ করেন যে, সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজ থেকে বিরত রাখার দায়িত্ব পালন করতে হলে ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা প্রয়োজন। সমাজে নৈতিকতা, ন্যায়বিচার ও স্বচ্ছ নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি শান্তিময় পরিবেশ গড়ে তুলতে তাকওয়াবান নেতৃত্বের গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।
শিক্ষকদের প্রতি তিনি বিশেষভাবে আহ্বান জানিয়ে বলেন, আগামী প্রজন্মকে সত্য, ন্যায়, নৈতিকতা ও ইসলামী মূল্যবোধে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে শিক্ষকরাই সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকা রাখতে পারেন। তিনি মনে করেন, নৈতিক শিক্ষার বিস্তার হলে সমাজে স্থায়ী পরিবর্তন আসবে।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনি সবাইকে দায়িত্বশীলতার সাথে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, দাড়িপাল্লা প্রতীককে বিজয়ী করা শুধুমাত্র একটি নির্বাচনী সিদ্ধান্ত নয়; এটি আল্লাহর আইন প্রতিষ্ঠা এবং সৎ মানুষের নেতৃত্ব নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা। সমাজে স্থায়ী শান্তি চাইলে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা লুৎফুর রহমান হুমায়দী এবং সঞ্চালনায় ছিলেন ভাইস প্রিন্সিপাল (অতিরিক্ত) মাওলানা কমর উদ্দিন।
এ ছাড়া বক্তব্য রাখেন উপাধ্যক্ষ মাওলানা সৈয়দ ফয়জুল্লাহ বাহার, সহকারী অধ্যাপক মাওলানা আব্দুন নুর, সহকারী অধ্যাপক জনাব সালাহউদ্দিন আজমান, মুফতি মাওলানা আলী হায়দার এবং মর্নিং শিফট ইনচার্জ মাওলানা আলাউদ্দিন।
বক্তারা সবাই মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষা, নৈতিকতা ও আদর্শ সমাজ গঠনে শিক্ষকদের ভূমিকাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন।
সভা শেষে দেশ ও জাতির সার্বিক কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়ার মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি সমাপ্ত হয়।
